অবলুপ্তির পথে বাগাল পেশা

কল্পোত্তম




'বাগাল' একটা দেশি শব্দ। পুরুলিয়া বা মানভূম এলাকাতে 'বাগাল' শব্দটাকে রাখাল শব্দের সমার্থক শব্দ হিসাবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এখন রাখাল শব্দকে বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়, রাখাল = রাখ + আল। অর্থাৎ যিনি রাখেন বা রক্ষা করেন। কিন্তু রাখাল শব্দের ব্যবহারিক অর্থ হলো মেষ বা গো পালক।
       আবার মানভূমি 'বাগাল' শব্দটাকে বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়, বাগাল = বাগ + আল। এখন বাগ শব্দের অর্থ হলো, বশ, শাসন বা বাগ মানানো। আবার 'বাগাল' শব্দটার ব্যবহারিক অর্থও হলো বাগিয়ে রাখেন যিনি। তাই বাগাল শব্দটাকে একটা বৃহৎ পরিসরে ব্যবহার করা হয়ে থাকে এই অঞ্চলে। যেমন ছাগল চরান যিনি, ছাগল বাগাল। গরু চরান যিনি, গরু বাগাল। মহিষ বা কাড়া চরান যিনি, কাড়া বাগাল। ছেলে খেলান যিনি, ছেলে বাগাল। আবার বরের সঙ্গে থাকেন যিনি, বর বাগাল। কনের সঙ্গে থাকেন যিনি, কনে বাগাল (লুগদিন) ইত্যাদি।
          সাধারণত জমিদার বা সম্ভ্রান্ত বা চাষি পরিবারের লোকেরাই বাগাল রাখতেন। যাঁদের পরিবারে, বাগালদের দিয়ে যে সকল কাজ করানো হয় সেইসব কাজ করার লোকের অভাব বা সেইসব কাজ করতে তাঁদের অনীহা অর্থাৎ গায়ে লাগে।
          উল্টো দিকে যে সকল ভূমিহীন গরিব মানুষের নুন আনতে পান্তা ফুরোয়, একবেলা খেয়ে এক বেলা না খেয়ে কেটে যায়, তাঁদের পরিবারের লোকেরাই সাধারনত বাগালির পেশা গ্রহণ করে থাকেন। অর্থাৎ বাগাল হয়ে থাকেন।
          বাগাল পেশাটা ইদানিং বিভিন্ন কারণে গুরুত্ব হারালেও নব্বই দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত এর গুরুত্ব এবং ব্যাপকতা ছিল সুদূরপ্রসারী। বাগালদের পারিশ্রমিকের কথা বলতে গেলে যে কথাটা প্রথমেই বলতে হয় তা হল, বাগাল দু'ভাবে রাখা হতো। 
         ১) একজন বাগাল কেবলমাত্র একটা পরিবারেরই কাজ করবেন। অর্থাৎ ব্যক্তিগত বাগাল। 
         ২) একজন বাগাল একই সঙ্গে অনেক জনের কাজ করবেন। অর্থাৎ কারোর ব্যক্তিগত নন। এই ধরনের বাগালির কাজ গ্ৰহণ করাকে স্থানীয় ভাষায় গতনি নেওয়াও বলে।
          ব্যক্তিগত বাগালের মূল কাজ গরু, ভেড়ি বা কাড়া (মহিষ) অর্থাৎ গৃহপালিত পশু চরানো, তাদের যত্ন নেওয়া হলেও বিভিন্ন সময় গলার (মালিকের) পরিবারের অন্যান্য কাজও করে দিতে হতো। যেমন বর্ষার সময় চাষের কাজ, অন্যান্য সময় কাঠ চেলানো, ঘাস কাটা, বেগুন, টমেটো প্রকৃতি সবজিতে মাটি দেওয়া ইত্যাদি।
          বাৎসরিক চুক্তিতে এঁদেরকে নিয়োগ করা হতো। নব্বই দশকের গোড়ার দিকে এঁদেরকে বাৎসরিক পাঁচ থেকে আট মন (৪০ সের ধানে এক মন) ধান দেওয়া হতো। তার সঙ্গে দেওয়া হতো তাঁর সমস্ত ভরণপোষণ। অর্থাৎ তেল-সাবান, খাওয়া-দাওয়া এবং কাপড়-চোপড়।
          অন্যদিকে যে সকল বাগাল গতনি নিতেন তাঁরা সারা গ্ৰামের অনেকের গরু-ভেড়ি চরাতেন একসঙ্গে। এঁরা যেহেতু কারোর ব্যক্তিগত ছিলেন না, তাই পশু চরানো ছাড়া আর কিছু কাজও করতে হতো না কারোর। 
          এঁরা পশু প্রতি বাৎসরিক একটা চুক্তি করে নিতেন। যেমন নব্বই দশকের শুরুতে প্রতি গরুতে এঁরা এক খন্ডি (বিশ সের ধানে এক খন্ডি) ধান নিতেন। 
         এঁদের ভরণপোষণের দায়িত্ব কাউকেই নিতে হতো না। নিজের বাড়ির খাবার খেতেন। আর গরু চরানোর সাথে সাথে গোবর কুড়িয়ে বছর শেষে তা বিক্রি করে বেশ কিছু টাকা রোজগার করতেন। তবে বিভিন্ন পূজা পার্বণের সময় মেলা দেখার জন্য সকলেই দু'এক টাকা করে দিতেন। তাতেই আনন্দে আটখানা হয়ে উঠতেন তিনি।
          প্রতি ক্ষেত্রেই বাগালদের কাজের সময় শুরু হতো সরস্বতী পূজার সময় এবং শেষ হতো মকর পরবের সময়। মাঝখানের এই ক'টা দিন অর্থাৎ মকর পরব থেকে সরস্বতী পূজা পর্যন্ত বাগাল বিশ্রামের সময়। এই সময় তাঁরা পূর্ণ বিশ্রাম পেতেন।
           বাগালের মূল কাজ পশুপালন হলেও তাঁদের সম্মানের জায়গাটা কখনও নীচু ছিল না। তাঁদের মালিক মালকিন, স্থানীয় ভাষায় যাঁদের গলা গুলিন বলা হতো, সন্তান স্নেহে ভালোবাসতেন। এমনকি সমাজের অন্যান্যরাও তাঁকে ছোটো করে দেখতেন না। তাঁর গলা গুলিন যে রকম সম্মান পেতেন অন্যান্যদের কাছ থেকে তিনিও সে রকমই সম্মান পেতেন।
           বাগাল পেশা দিন দিন উঠে যাওয়ার পিছনে অনেকগুলো কারণ রয়েছে।
         (১) এই পেশাতে আসার মূল কারণ ছিল চরম দারিদ্রতা। যা বর্তমানে অনেকটাই সামলে উঠতে পেরেছেন মানুষ। বিভিন্ন রকম সরকারি প্রকল্প চালু হওয়ায় আর্থিক দিক থেকে সাবলম্বী হয়ে উঠেছেন।
         (২) সত্তর বা আশির দশকের মতো কর্মসঙ্কট বর্তমান সময়ে নেই। এখন কাজ করার ইচ্ছা থাকলে স্থানীয় এলাকাতেও কোনো না কোনো কাজ পাওয়া যায়। যার থেকে অনায়াসে আর্থিক চাহিদা মিটিয়ে নিতে পারেন মানুষ। তাই সারা বছর পশু চারণের পর কয়েক মন ধান নেওয়ার দিকে যেতে চাইছেন না।
         (৩) উপরে উল্লিখিত দশকগুলিতে বাইরের রাজ্যে কাজ করতে যাওয়ার প্রবণতা খুব একটা ছিল না। কিন্তু সময় গড়িয়ে যাওয়ার সাথে সাথে আর্থিক দিক থেকে সমৃদ্ধ শহরগুলিতে বিভিন্ন রকম কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাওয়ায় সেইসব শহরে গিয়ে কাজ করার প্রবণতা বাড়তে থাকে। মানুষের হাতে কম সময়ের মধ্যে আসতে শুরু করে তুলনামূলক বেশি এবং নগদ অর্থ।
          (৪) জন্ম নিয়ন্ত্রণ আইন চালু হওয়া এবং শিক্ষার বিস্তারও এই পেশার অবলুপ্তির একটা অন্যতম কারণ। আগেকার দিনের মতো অগুনতি সন্তান-সন্ততি নেই কারোরই। এক বা দুই সন্তানের জনক সবসময় নিজেদের সন্তানদের নিজের কাছে রাখতে চাইছেন এবং যতটা সম্ভব শিক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। বাগাল পেশা গ্রহণ করলে যা কখনোই সম্ভব হয়ে উঠবে না।
           (৫) বর্তমান সময়ের ছানাপোনারা রোদ-ঝড়-বৃষ্টিতে মাঠে মাঠে ঘুরে পশু চরানোর বৃত্তিকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করতে অনীহা প্রকাশ করছে। শুধু তাই নয়, পরিবারে আর্থিক অনটন না থাকায় বয়স্করাও এই পেশায় আসছেন না আর।
          (৬) চাষ জমি বৃদ্ধির কারণে দিগন্ত বিস্তৃত চারণভূমি ক্ষয়তে ক্ষয়তে শুণ্যে এসে ঠেকেছে। মাঠে পশুর পাল ছেড়ে দিয়ে বাঁশি বাজানোর দিন শেষ। আগের তুলনায় কষ্টকর হয়ে উঠেছে পশু চরানো। যার ফলে ধীরে ধীরে লুপ্ত হয়ে এসেছে বাগাল পেশা।
       বাগাল ও গুলিনদের নিয়ে মুখে মুখে ছড়াও তৈরি হয়ে যেত মাঝে মাঝে। তারপর সেগুলো ছড়িয়ে পড়তো মুখে মুখে। এখন আর সেইসব ছড়া পাওয়া যায় না। আমি আমার ছোটো ঠাকুমার কাছে শোনা কয়েকটা ছড়া তুলে ধরলাম এখানে।
        বাগালরা একসঙ্গে গরু চরাচ্ছেন মাঠে। এমন সময় একজনের গুলিন তাঁর বাগালের জন্য খাবার নিয়ে এলেন। তখন অন্য বাগালরা বললেন-----

                       (১)
              যা রে বাগাল যা
              লুলহা ডুবাঁই খা,
              গুলিন আইল্য
               বাস্যাম নিয়ে
               শনলা ভাজা।

        যাঁরা কাড়া অর্থাৎ মহিষ চরান তাদেরকে বাড়ি থেকে খাবার এনে দেওয়া হয় না। কিন্তু গরু বাগালদের যথা সময়ে খাবার পৌঁছে যায়। তাই কাড়া বাগালদের হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য মাঠে কাজ করতে আসা মহিলারা বলেন------

                       (২)
            গুলিন আল্য মাড় নিয়ে
            সাথে মাছ ভাজা,
            কাড়া বাগাল গাঢ়ায় ঢঢ়ায়
            গরু বাগাল রাজা।

        গোধূলি বেলায় মাঠ থেকে গরু ভেড়ি ঘরে নিয়ে আসার সময় গুলিন লক্ষ্য করেন পালে ভেড়ির সংখ্যা কম। তখন তিনি বাগালকে বলেন-----

                       (৩)
              ভেড়ি কোথায় বল বাগাল
              ভেড়ি কোথায় বল?
              গঠে কি তর আস্যেছিল
              শিয়ালের দল?

        সূর্যাস্তের পর গরু ভেড়ির পাল এসে পৌঁছায় বাড়িতে। কিন্তু বাগালের দেখা নেই। তাই গুলিনের মনের মধ্যে আশঙ্কা জাগে, বাগাল শ্বেত শালুকের ফল খেয়েছিলেন মাঠে গরু চরানোর সময়। তাহলে কি সে জন্যই কোনো কিছু হয়েছে তাঁর। তাই তিনি তাঁর মনের আশঙ্কা প্রকাশ করেন-----

                       (৪)
               গাই আল্য বাছুর আল্য
               বাগাল কোথায় বল?
               বাগাল হামার খাঁয়েছিল
                শ্বেত শালুকের ফল।
                
       সকালবেলা বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে যাওয়ার পর একটা প্রশস্ত জায়গাতে রাখা হয়। সে সময় বাকি বাগালরাও নিজেদের গরু ভেড়ি নিয়ে সেখানে এসে পৌঁছান। একটু বেলা হওয়ার সাথে সাথে ঘাসের শিশির শুকিয়ে এলে সেখান থেকে ঘাসযুক্ত জায়গাতে নিয়ে যাওয়া হয় চরানোর জন্য। বাগালরা সবসময় চেষ্টা করেন বেশি ঘাসযুক্ত জায়গাতে নিয়ে যেতে। যাতে পশুরা এদিক ওদিক যাওয়া থেকে বিরত থাকে। পশুদের সবুজ তৃণভূমিতে ছেড়ে দিয়ে বাগালরা তাদের ঘিরে থাকেন। একা থাকলে যেদিকে ফসল ক্ষেত থাকে সেদিকেই দাঁড়িয়ে থাকেন বাগাল। পশুদের ওপর সবসময় নজর রাখেন, যাতে কোন জন্তু, শিয়াল, ভাম, বেজি এসে ক্ষতি করতে না পারে পশুদের।
         দুপুর হয়ে এলে মাঠের একটা নির্দিষ্ট জায়গাতে পশুদের বিশ্রাম করতে দিয়ে একে একে স্নান খাওয়ার জন্য বাড়ি যান তাঁরা। নির্দিষ্ট বিশ্রাম স্থলকে গোঠরটাঁড় বলা হয়।
         বিকেল তিনটের পর আবার তৃণভূমির দিকে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সূর্যাস্তের পর গুনতি করে বাড়ি নিয়ে আসা হয় পশুদের।
         বাগালদের আনুসঙ্গিক বেশ কিছু সরঞ্জাম রয়েছে। যেগুলোর মধ্যে সাটিক, পইনা, ছাতা এবং গামছা হলো অত্যাবশ্যক সরঞ্জাম। আর বাঁশি হলো তার আনন্দ বিনোদনের সরঞ্জাম। সারাদিন গাই-গরু বা পশুদের সঙ্গে ঘুরতে ঘুরতে বাগাল যখন ক্লান্ত হয়ে গাছের তলায় বসে পড়েন তখন মনোমোহিনী বাঁশিতে ফুঁ দিতে ইচ্ছে জাগে। দিগন্ত থেকে দিগন্তে ছড়িয়ে দিতে ইচ্ছে জাগে মনের মতো সুর।
        দীর্ঘদিন সহাবস্থান করতে করতে বাগাল এবং পশুদের মধ্যে একটা গভীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তাঁরা পরস্পর পরস্পরের ভাষা বুঝতে পারেন। কখনো ডাক শুনে কখনো ইঙ্গিতে বুঝে নেন বক্তব্য। হিঁ, হ, চ, চল্ রে, ঘুর ঘুর, ঘুর গে, পেইছ পেইছ, প্রভৃতি নানা রকম শব্দের কোনটাতে কি করতে বলছেন বাগাল তা বুঝতে পারে পশুরা। সেই মতো আচরণও করে তারা। তবে পশুদের গায়ে, বিশেষ করে গলার নীচের দিকে হাত বুলিয়ে দিলে বেশি করে আরাম বোধ করে পশুরা। এমতাবস্থায় স্থির হয়ে বাগালের কাছে দাঁড়িয়ে পড়ে তারা।
        বাগালের হাতের সাটিক, পইনা প্রভৃতি নাচানো এবং চোখ রাঙ্গানো দেখেও কি করতে বলছে তা বুঝতে পারে পশুরা।
         পশুদের কোন অসুখ বা বে-আরাম হলে তারা আর ঘাস খায় না। যত্রতত্র বসে পড়ে। ছায়া খুঁজে বেড়ায়। তাদের এইসব লক্ষণ দেখলে বাগাল তাকে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করে।
          পশুদের দুপুরবেলার বিশ্রাম স্থল অর্থাৎ গোঠরটাঁড় তুলনামূলক উঁচু এবং সমতল জায়গা হলে উপযুক্ত হয়। জায়গাটা চিরহরিৎ বৃক্ষের ছায়াঘেরা হলে আরও সুবিধাজনক। একদিকে যেমন গ্রীষ্মের ধূ ধূ রোদ থেকে রেহাই পায় পশুরা তেমনই বর্ষার সময় তাদের বসার জায়গাটা বৃষ্টির জলে চ্যাপ চ্যাপ করে না।
          চরাতে চরাতে হঠাৎ করে কোনো পশু হারিয়ে গেলে, যেখানে হারিয়েছে তার আগে কোথায় কোথায় চরানো হয়েছে সেইসব জায়গাতে তন্ন তন্ন খুঁজতে হয়। তার পাশাপাশি সেই এলাকাতে থাকা ফসল ক্ষেতগুলোতে ঢুকেছে কি না তাও দেখে নিতে হয়। এছাড়া যে পশু হারিয়েছে তার কোথায় কোথায় যাওয়ার প্রবণতা রয়েছে সেই সব জায়গাতেও অনুসন্ধান করতে হয়। শুধু তাই নয় কোন পশুর বাচ্চা ছোটো থাকলে তা একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বাড়িতে থাকে। তাই তার মা হারিয়ে গেলে বাড়িতে এসেছে কি না তাও খোঁজ নিয়ে দেখতে হয়। এবং মাঠে-ঘাটে খোঁজার সময় ডর্-র্-র্-র্, ডু-র্-র্-র্, আহ্ আহ্ আহ্ প্রভৃতি ডাক দিয়ে দিয়ে খুঁজতে হয়। যাতে সে শুনতে পেলে সাড়া দেয়।
        ‌ পেশা হিসেবে বাগাল কখনও মন্দ ছিল না। এক সময়ের এই পেশা অনেক হতদরিদ্র পরিবারকে বছরের পর বছর অন্নের জোগান দিয়ে এসেছে। কিন্তু সময় বদলে যাওয়ার সাথে সাথে এই পেশা নিজেকে অত্যাধুনিক করে নেওয়ার সুযোগ পায়নি। তার প্রধান এবং মূল কারণ পশুচারণভূমি কমে আসা এবং মানুষের আর্থিক স্বচ্ছলতা লাভ। বর্তমান সময়ে এই পেশা সময়োপযোগী অর্থের যোগান দিতে না পারার কারণে ধীরে ধীরে অবলুপ্তির পথে এগিয়ে গিয়েছে এবং অদূর ভবিষ্যতেও এই পেশার পুনরাবর্তন হওয়ার কোন লক্ষণ সেই ভাবে চোখে পড়ছে না।


কল্পোত্তম /২১/৭/২১



(মহাভারত ওয়েব ম্যাগাজিনের সেপ্টেম্বর ২০২১-এ প্রকাশিত)